• শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
আন্তর্জাতিক যুব দিবসে শৈলকুপায় জামায়াতের যুব র‍্যালি মহেশপুরে যুব জামায়াতের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত হয়েছে নাঙ্গলকোটে পাঁচদিন পর পরিত্যক্ত বাগান থেকে অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযান, জব্দ সাড়ে ২৫ লাখ শলাকা নকল সিগারেট অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিসি অফিস ঘেরাওয়ের ডাক সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবাইলসহ আটক ৩ স্বরূপনগরে সরকারি রাস্তা দখলমুক্তের দাবিতে মানববন্ধন, ডিসিকে স্মারকলিপি চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা আদালতে ভাঙচুর ও বিচারকের ওপর হামলার প্রতিবাদ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল শিবগঞ্জে এসএসসিতে এক বিষয়ে ফেল, বিষপানে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের যেকোন বিজ্ঞাপন দিতে কল করুন : মোবাইল : ০১৯২১-৭৭৪৯১১।

বিদেশি ফল প্যাশন মহেশপুরের মাটিতে প্রথম চাষ

সাইফুল ইসলাম,মহেশপুর,ঝিনাইদহ,প্রতিনিধি / ১৭২ Time View
Update : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিদেশি ফল প্যাশন মহেশপুরের মাটিতে প্রথম চাষ

সাইফুল ইসলাম,মহেশপুর,ঝিনাইদহ,প্রতিনিধি ঃ-

ঝিনাইদহের মহেশপুরে চাষ হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও ফিলিপাইনের জনপ্রিয় ফল প্যাশন বা ট্যাং। তবে অঞ্চলভেদে এর ভিন্ন নামও আছে। অনেকে বলে আনারকলি আবার অনেকে বলে ট্যাং। দক্ষিণ আফ্রিকায় এটি পরিচিত পারপেল গ্রানাডিলা নামে। ফলটির বৈজ্ঞানিক নাম প্যাসিফ্লোরা ইডিউলাস। মিষ্টি স্বাদ ও উপকারিতার কারণে অনেক দেশেই ফলটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।তবে ঝিনাইদহ জেলার মাটিতে প্রথম এই ফলটি বানিজ্যিক ভাবে চাষ শুরু করেছেন জেলার মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামের নুরুল হাসানের ছেলে তরুন কৃষক মাহমুদুল হাসান ষ্টালিন। জানা যায়, ৭ বছর আগে কৃষি কাজে জরিয়ে পড়েন ষ্টালিন। একে একে চাষ করতে থাকেন পেয়ারা,ড্রাগন, কমলা কুল,মাল্টা। ইউটিউবে দেখে আগ্রহ জাগে প্যাশন ফল চাষে। যশোর থেকে ৫ টি চারা সংগ্রহ করে পরীক্ষা মূলক ভাবে চাষ শুরু করেন । বর্তমানে তার আড়াই বিঘা প্যাশনসহ ২৫ বিঘা জমিতে পেয়ারা,ড্রাগন, কমলা,কুল,মাল্টা রয়েছে।

মাহমুদুল হাসান ষ্টালিন বলেন, বানিজ্যিক ভাবে প্যাশন ফল আমি চাষ শুরু করেছি। এটি একটি লাভ জনক চাষ। অল্প খরচে কোন সার,সেচ,কীটনাশক ছাড়াই জৈব সার দিয়ে এই চাষ করা যায়। শুরুতে আমি ৫টি চারা দিয়ে পরীক্ষা মূলক চাষ শুরু করি। বর্তমানে আড়াই বিঘা জমিতে প্যাশনসহ ২৫ বিঘা জমিতে ফলের চাষ রয়েছে। তিনি আরও বলেন প্যাশন গাছে বছরে দুবার ফল ধরে। প্রতি বিঘায় ১ লক্ষ ফল পাওয়া যায়। প্রতি পিচ ফল শুরুর দিকে ৫-৭ টাকা বিক্রি করলেও বর্তমানে ১৫-২০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। ফল বিক্রি কোন ঝামেলা নাই চিটাগাংয়ের ব্যবসায়ীরা জমি থেকে এসে নিয়ে যাচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ ফল গোলাকার বা ডিম্বাকার। কাঁচা অবস্থায় এটি সবুজ হয়। তবে পরিণত অবস্থায় হলুদ বা গাঢ় বেগুনি রং ধারণ করে। ফলটি অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন। হাঁপানি ও ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও এই ফল বিশেষ উপকারী। স্থানীয চাষী হালিম বলেন, এই ফলটি আমার ৭০ বছর বয়সে কখনো দেখিনি ষ্টালিন প্রথম আমাদের মাঠে চাষ করে। এই ফল কোথায় বিক্রি করবে কারা খাবে এটা ভঅবতা কিন্তু এখন দেখছি ফল বিক্রি করার জন্য বাজারে নিয়ে যেতে হয়না। জমি থেকে ব্যাপারীরা কিনে নিয়ে যাচ্ছে।সোহেল নামের আরেক চাষী বলেন, অল্প খরচে এই ফল চাষ করা যায় এবং দামেও বিক্রি করা যায়। সেজন্য আমি এই ফল চাষ করবো ভেবে ষ্টালিনের কাছে পরামর্শ নিচ্ছি।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরা ইয়াসমিন বলেন, ফলটি বিদেশি। কেউ এই ফল চাষে আগ্রহী হলে আমরা পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করব।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/