• শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
শৈলকূপায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩ গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মিন্টু ঢালীর জামায়াতে যোগদান শৈলকূপার কাতলা গাড়ি বাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, ক্ষতি প্রায় ৬ লাখ টাকা শৈলকুপায় কুমার নদে ট্রাক পড়ে ড্রাইভার ও হেলপারের মর্মান্তিক মৃত্যু শৈলকুপা দোকান মালিক সমিতির আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শৈলকুপা বাজার দোকান মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি–২০২৬ গঠন শৈলকুপায় জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক এ এস এম মতিউর রহমানের মনোনয়ন ফরম জমা শৈলকুপায় মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত শৈলকুপা থানায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করলেন মোঃ হুমায়ুন কবির মোল্লা
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের যেকোন বিজ্ঞাপন দিতে কল করুন : মোবাইল : ০১৯২১-৭৭৪৯১১।

বিদেশি ফল প্যাশন মহেশপুরের মাটিতে প্রথম চাষ

সাইফুল ইসলাম,মহেশপুর,ঝিনাইদহ,প্রতিনিধি / ১০৬ Time View
Update : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিদেশি ফল প্যাশন মহেশপুরের মাটিতে প্রথম চাষ

সাইফুল ইসলাম,মহেশপুর,ঝিনাইদহ,প্রতিনিধি ঃ-

ঝিনাইদহের মহেশপুরে চাষ হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও ফিলিপাইনের জনপ্রিয় ফল প্যাশন বা ট্যাং। তবে অঞ্চলভেদে এর ভিন্ন নামও আছে। অনেকে বলে আনারকলি আবার অনেকে বলে ট্যাং। দক্ষিণ আফ্রিকায় এটি পরিচিত পারপেল গ্রানাডিলা নামে। ফলটির বৈজ্ঞানিক নাম প্যাসিফ্লোরা ইডিউলাস। মিষ্টি স্বাদ ও উপকারিতার কারণে অনেক দেশেই ফলটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।তবে ঝিনাইদহ জেলার মাটিতে প্রথম এই ফলটি বানিজ্যিক ভাবে চাষ শুরু করেছেন জেলার মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামের নুরুল হাসানের ছেলে তরুন কৃষক মাহমুদুল হাসান ষ্টালিন। জানা যায়, ৭ বছর আগে কৃষি কাজে জরিয়ে পড়েন ষ্টালিন। একে একে চাষ করতে থাকেন পেয়ারা,ড্রাগন, কমলা কুল,মাল্টা। ইউটিউবে দেখে আগ্রহ জাগে প্যাশন ফল চাষে। যশোর থেকে ৫ টি চারা সংগ্রহ করে পরীক্ষা মূলক ভাবে চাষ শুরু করেন । বর্তমানে তার আড়াই বিঘা প্যাশনসহ ২৫ বিঘা জমিতে পেয়ারা,ড্রাগন, কমলা,কুল,মাল্টা রয়েছে।

মাহমুদুল হাসান ষ্টালিন বলেন, বানিজ্যিক ভাবে প্যাশন ফল আমি চাষ শুরু করেছি। এটি একটি লাভ জনক চাষ। অল্প খরচে কোন সার,সেচ,কীটনাশক ছাড়াই জৈব সার দিয়ে এই চাষ করা যায়। শুরুতে আমি ৫টি চারা দিয়ে পরীক্ষা মূলক চাষ শুরু করি। বর্তমানে আড়াই বিঘা জমিতে প্যাশনসহ ২৫ বিঘা জমিতে ফলের চাষ রয়েছে। তিনি আরও বলেন প্যাশন গাছে বছরে দুবার ফল ধরে। প্রতি বিঘায় ১ লক্ষ ফল পাওয়া যায়। প্রতি পিচ ফল শুরুর দিকে ৫-৭ টাকা বিক্রি করলেও বর্তমানে ১৫-২০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। ফল বিক্রি কোন ঝামেলা নাই চিটাগাংয়ের ব্যবসায়ীরা জমি থেকে এসে নিয়ে যাচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ ফল গোলাকার বা ডিম্বাকার। কাঁচা অবস্থায় এটি সবুজ হয়। তবে পরিণত অবস্থায় হলুদ বা গাঢ় বেগুনি রং ধারণ করে। ফলটি অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন। হাঁপানি ও ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও এই ফল বিশেষ উপকারী। স্থানীয চাষী হালিম বলেন, এই ফলটি আমার ৭০ বছর বয়সে কখনো দেখিনি ষ্টালিন প্রথম আমাদের মাঠে চাষ করে। এই ফল কোথায় বিক্রি করবে কারা খাবে এটা ভঅবতা কিন্তু এখন দেখছি ফল বিক্রি করার জন্য বাজারে নিয়ে যেতে হয়না। জমি থেকে ব্যাপারীরা কিনে নিয়ে যাচ্ছে।সোহেল নামের আরেক চাষী বলেন, অল্প খরচে এই ফল চাষ করা যায় এবং দামেও বিক্রি করা যায়। সেজন্য আমি এই ফল চাষ করবো ভেবে ষ্টালিনের কাছে পরামর্শ নিচ্ছি।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরা ইয়াসমিন বলেন, ফলটি বিদেশি। কেউ এই ফল চাষে আগ্রহী হলে আমরা পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করব।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/