• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
তিন কি:মি: খাল ভরাট চাঁচড়া ইউপির ১০ গ্রামের ফসল ডুবির দুশ্চিন্তায় কৃষক  শৈলকুপায় আত্মহত্যা প্রতিরোধে গবেষণাভিত্তিক নীতি প্রণয়নে ফোকাস গ্রুপ আলোচনা অনুষ্ঠিত শৈলকুপায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ভারতের পুশ ইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি: শূন্যরেখায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ৬০ জন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘লাল টেলিফোনের’ তার চুরি: সচিবালয়ের কর্মী ও ভাঙারি ব্যবসায়ীর ৫ দিনের রিমান্ড দৌলতদিয়ায় আবারও ফেরিঘাটে বাস নদীতে, ভাগ্যক্রমে বাঁচলেন ৩৭ যাত্রী শৈলকূপায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত শৈলকুপায় অসহায় ক্যান্সার রোগীর পাশে ব্রাদারস ফাউন্ডেশন শৈলকুপায় নসিমন ও কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে কাচামাল ব্যবসায়ী নিহত কুষ্টিয়া–ঝিনাইদহ মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের যেকোন বিজ্ঞাপন দিতে কল করুন : মোবাইল : ০১৯২১-৭৭৪৯১১।

মহেশপুরে বাঁধে আটকা পানি, ডুবে গেল শত বিঘা জমির ফসল

মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম,মহেশপুর প্রতিনিধি / ৮৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫

মহেশপুরে বাঁধে আটকা পানি, ডুবে গেল শত বিঘা জমির ফসল

মহেশপুর (ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি ঃ-

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সামন্তা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব কৃষক আব্দুল জলিল। চার দশক ধরে একই জমিতে ধান আর নানা ফসল ফলিয়ে সংসার চালিয়ে আসছেন তিনি।কিন্তু গত দুই বছর ধরে সেই জমিতে ধান নয়,জমছে শুধু পানি।চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তার একমাত্র আয়ের উৎস।জমি ছাড়া আর কোনো উপার্জনের পথ নেই। তাই স্থায়ী জলাবদ্ধতার কাছে হার মেনেছেন জলিল মিয়া।শুধু জলিল নন, একই দুর্দশায় পড়েছেন সামন্তা গ্রামের শতাধিক কৃষক।অভিযোগ,গ্রামের পাশের খালের মুখে বাঁধ দিয়ে মাছের খামার বানিয়েছেন কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেওয়ায় জমির পানি বের হওয়ার কোনো পথ নেই।বৃষ্টির পানি জমে তৈরি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। ফলে ডুবে গেছে সবজি ক্ষেত, আমনের বীজতলা আর সদ্য রোপণ করা ধান।স্থানীয় কৃষক লাল্টু মিয়া জানান, এমন পরিস্থিতিতে তাদের সামনে বেঁচে থাকার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠছে। বছরের পর বছর কৃষি কাজ করে পরিবার চালালেও এখন সেই জমি থেকে কোনো ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না। বরং প্রতি মৌসুমে লোকসানের পরিমাণ বাড়ছে।পুকুর মালিকদের সঙ্গে কথা বললে তারা দায় এড়িয়ে চলেন।একে অপরের দিকে আঙুল তোলেন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।কিন্তু এদিকে সময় চলে যাচ্ছে, আর জমির পানি নামছে না।ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে কৃষকদের জন্য।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য কালভার্টের মুখ উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে,না হলে এই জমিগুলো সারা বছর পানির নিচে থাকবে।কৃষকদের দাবি, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ক্ষতির হিসাব আর থামবে না।শুধু ফসল হারানো নয়, জীবিকার একমাত্র ভরসাটুকুও হাতছাড়া হয়ে যাবে তাদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/